সামাজিক দায়বদ্ধতা

শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যই হল একজন মানুষের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভাকে বিকাশিত করা, তার চিন্তাশক্তিকে শাণিত করা এবং তাকে আত্মবিশ্বাসী, বৈর্যশীল ও দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। অথচ আমাদেও দেশে প্রতিভার বিকাশ তো দূরের কথা, অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রতিভাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়। একটি বাচ্চা যখন নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের এু কওে অংক করার শক্তি (?) হিসেবে শূন্য (০) পায়, তখনই একটি সম্ভাবনার অপমৃত্যু ঘটে। কারণ এ ধরনের অন্যায় আচরণের ফলে ঐ বাচ্চার আত্মবিশ্বাস যেমন একদিকে কমতে থাকে, অন্যদিকে তার চিন্তা করার বা উদ্যোগ নেয়ার ক্ষমতা আস্তে আস্তে হারিয়ে যায়। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদেশের শিক্ষাব্যবস্থার যাতাকলে পিষ্ট হয়ে আমরা এচঅ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থী (?) হই কিন্তু সৃজনশীল মানুষ হই না।

আর তাই “না বুঝে মুখস্থ করার অভ্যাস প্রতিভাকে ধ্বংস করে” কিংবা “নোট বা গাইড কখনোই মূল বই এর বিকল্প হতে পারে না”- এরকম কয়েকটি মূলনীতি তথা আদর্শ নিয়েই শুরু হয় উদ্ভাসের পথ চলা। মুখস্থ ভিত্তিক সাজেশন নির্ভ গ-িবদ্ধ কোচিং পদ্ধতির বিপরীতে উদ্ভাস শুরু করে ঈড়হপবঢ়ঃ নধংবফ ষবধৎহরহম. কারন আমরা মনে করি, আমাদেও অনেক সম্ভাবনা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক মানদ-ে আমাদের দেশের পিছিয়ে থাকার মূল কারণ শিক্ষাব্যবস্থার কিছু অমার্জনীয় ত্রুটি। এতসব অসঙ্গতি আমাদেরকে পীড়া দেয়, বিশ্বেও দরবাওে আমাদের দেশের অবনত শির আমাদেরকে লজ্জা দেয়। আমরা মনে করি, শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন ছাড়া এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়। সেই লক্ষকে সামনে রেখেই শুরু উদ্ভাসের পথ চলা।

. . .আর আমাদের গর্ব ও আনন্দ সেই ‘বিশ্বাস’-এর প্রমাণ রাখতে পারায়, বিশ্বাস করাতে পারায়। জাতির জন্য কিছু কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাকার প্রত্যয় তৈরিতে বিশ্বাস কে সঙ্গী করেই শুরু হোক নিরন্তর পথচলা. . . পরিবর্তনের প্রত্যয়. . .